Advertisement

Vishwakarma Puja Vidhi In Bengali (বিশ্বকর্মা পূজা পদ্ধতি)

Vishwakarma Puja Vidhi In Bengali:  We all know that Vishwakarma is known as the Divine Engineer of the world.
This year Vishwakarma Puja falls on 17th September 2022 & In Bengali Calender falls on 31st Bhadra,1429, Saturday.

If you looking for all Vishwakarma Puja Vidhi In Bengali then this post is for you.

Also Read

Vishwakarma Puja Samagri List In Bengali(বিশ্বকর্মা পুজোর উপকরণ)

Vishwakarma Puja Mantra In Bengali (বিশ্বকর্মার মন্ত্রাবলী)

Ganesh Mantra In Bengali (গণেশের মন্ত্রাবলী)

Vishwakarma Puja Vidhi In Bengali

Vishwakarma Puja Vidhi In Bengali

Advertisement

(বিশ্বকর্মা পূজা পদ্ধতি)

Advertisement

আমাদের দেশে ভাদ্র মাসের সংক্রান্তির দিনে শ্রীশ্রীবিশ্বকর্ম্মা দেবের পূজা সমস্ত কলকারখানায় ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়।

এই পূজা পৌরাণিক। বেদে এই পূজার প্রচলন দেখিতে পাওয়া যায় না। তবে বহু পুরাণে এই পূজার বিষয় লিপিবদ্ধ আছে।

পুরাণসম্মত পূজায় অধিবাস একটি বিশেষ অঙ্গ। কিন্তু কলকারখানায় ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে এই পূজার বহুল প্রচার থাকায় পূর্ব্ব রাত্রিতে ইহার অধিবাস হওয়া সম্ভব নয়।

সেই হেতু পূজার দিন চক্ষুদান ও প্রাণপ্রতিষ্ঠার পর অধিবাস করা হয়।

পূজাবিধি 

পূজার দিন প্রভাতে স্নান ও নিত্যকর্ম করিয়া পূৰ্ব্বমুখে বা উত্তরমুখে সুখাসনে উপবেশন করিয়া আচমন করিবে।

 আচমন—ডানহাতের তালু গোকর্ণাকৃতি করিয়া একটি মাষকলাই ডুবিয়া যায় এই পরিমাণ নিৰ্ম্মল জল লইয়া

ওঁ বিষ্ণুঃ ওঁ বিষ্ণুঃ ওঁ বিষ্ণুঃ বলিয়া মুখের কোনরূপ শব্দ না করিয়া সেই জল পান করিবে। তারপর বৃদ্ধ অঙ্গুষ্ঠের মূলদেশ দ্বারা মুখ স্পর্শ, অঙ্গুষ্ঠ ও তর্জ্জনীর অগ্রভাগ দ্বারা দুই নাসাপুট স্পর্শ, অঙ্গুষ্ঠ ও অনামিকার দ্বারা দুই চক্ষু, দুই কর্ণ স্পর্শ, অঙ্গুষ্ঠ ও কনিকা দ্বারা নাভিদেশ স্পর্শ করিয়া হাত ধুইয়া লইবে। করতল দ্বারা বক্ষঃস্থল সমগ্র অঙ্গুলির অগ্রভাগ দ্বারা মস্তক শীর্ষ ও দুই বাহুমূল স্পর্শ করিয়া দুইহাত জোড় করিয়া—ওঁ তদ্‌বিষ্ণোঃ পরমং পদং সদা পশ্যন্তি সূরয়ঃ দিবীব চক্ষুরাততম্।। ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু বলে তিন বার জপ করুন। 

এক একটি সচন্দন পুষ্প লইয়া পূজা করিবে—এতে গন্ধপুষ্পে ও আধারশক্তয়ে নমঃ, এতে গন্ধপুষ্পে ওঁ কৰ্ম্মায় নমঃ, এতে গন্ধপুষ্পে ও অনন্তায় নমঃ, এতে গন্ধপুষ্পে ওঁ পৃথিব্যৈ নমঃ। অতঃপর ফট মন্ত্র বলিয়া শঙ্খাদি অর্ঘ্য পাত্রকে ধৌত করিয়া ওই ত্রিপদিকার উপর রাখিবে। নমঃ এই মন্ত্রে ওই শঙ্খের উপর সচন্দন পুষ্প, দূৰ্ব্বা, আতপ চাউল দিবে। শঙ্খ জলদ্বারা বিলোম মাতৃকা বৰ্ণ বলিয়া চারিভাগের তিনভাগ অংশ জলপূর্ণ করিবে। বিলোম মাতৃকা বর্ণ যথা—ওঁ ক্ষং লং হং সং যং শং বং লং রং যং মং ভং বং ফং পং নং ধং দং থং তং ণং ঢং ডং ঠং টং এবং ঝং জং ছং চং ডং ঘং গং খং কং অঃ অং ঔং ওং ঐং এং ৯৯ং ৯ং ৠং ঋং উং উং ঈং ইং আং অং বাং। সচন্দন পুষ্প লইয়া—এতে গন্ধপুষ্পে ও মং বহ্নিমণ্ডলায় দশকলাত্মনে নমঃ (ইতি আধারে) এতে গন্ধপুষ্পে ও অং অর্কমগুলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নः (ইতি শঙ্খে) এতে গন্ধপুষ্পে ও উং সোমমগুলায় ষোড়শ কলাত্মনে নমঃ (ইতি জলে) পূজা করিয়া শঙ্খের জলে অঙ্কুশ মুদ্রায় (মুদ্রা দ্রঃ পূঃ ১৬) সূর্য্যমণ্ডল হইতে তীর্থের আবাহন করিতে করিতে বলিবে – ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি নর্ম্মদে সিন্ধু কাবেরি জলেহস্মিন্ সন্নিধিং কুরু। বলিয়া তীর্থ আবাহন করিয়া নিজ হৃদয় হইতে দেবকে তথায় আহ্বান করিবে—ওঁ শ্রীবিশ্বকর্মন্ সপরিবার ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিধেহি ইহসন্নিরুধ্যস্ব অত্রাধিষ্ঠানং কুরু মম পূজাং গৃহাণ। বলিয়া আবাহনাদি পঞ্চমুদ্রা দেখাইবে। হুং বলিয়া অবগুণ্ঠন মুদ্রা, বষট্ বলিয়া গালিনী মুদ্রা দেখাইবে। বৌষট্ বলিয়া জল নিরীক্ষণ করিয়া অস্ত্র মুদ্রায় সংরক্ষণ করিয়া সচন্দন পুষ্প লইয়া—এতে গন্ধপুষ্পে ও হৃদয়ায় নমঃ, ওঁ শিরসে স্বাহা, ওঁ শিখায়ৈ বষট্, ওঁ কবচায় হুং,

সাত আঙ্গুল কুশের উত্তর সীমা হইতে পূর্ব্বমুখ করিয়া একটি প্রাদেশ প্রমাণ কুশ রাখিবে। উহার সাত আঙ্গুল উত্তরে পূর্ব্বমুখ করিয়া আর একটি প্রাদেশ প্রমাণ কুশ রাখিবে। আর একটি প্রাদেশ প্রমাণ কুশ দ্বিতীয়টির উত্তরে পূৰ্ব্বমুখ করিয়া রাখিবে এবং তৃতীয়টির উত্তরে আর একটি প্রাদেশ প্রমাণ কুশ পূৰ্ব্বমুখ করিয়া রাখিবে। সাত আঙ্গুল কুশ তিনটি তুলিয়া ফেলিয়া দিবে। কুশমূল দিয়া পরপর মন্ত্র বলিয়া পাঁচটি রেখা করিবে। (অথবা রেখা করিবার পর মন্ত্র বলিয়া সেই সেই রেখা স্পর্শ করিবে যথা- দ্বাদশাঙ্গুলী পূৰ্ব্বমুখী রেখার পশ্চিম সীমা হইতে পূৰ্ব্বসীমা পর্যন্ত কুশমূল দিয়া স্পর্শ করিয়া বলিবে—ওঁ রেখেয়ম্ পৃথ্বিদেবতাকা পীতবর্ণা। একবিংশতি অঙ্গুলি রেখার দক্ষিণপ্রাপ্ত হইতে উত্তরপ্রান্ত পর্যন্ত কুশমূল দিয়া স্পর্শ করিয়া বলিবে—ওঁ রেখেয়ম্ অগ্নিদেবতাকা লোহিতবর্ণা। দ্বাদশ অঙ্গুলি রেখার সাত আঙ্গুল দূরে পূর্ব্বাভিমুখী রেখার পশ্চিমপ্রান্ত হইতে পূৰ্ব্বপ্রাপ্ত পৰ্য্যন্ত কুশমূল দিয়া স্পর্শ করিবে এবং বলিবে—ওঁ রেখেয়ং প্রজাপতি দেবতাকা কৃষ্ণবর্ণা। সাত আঙ্গুল দূরে প্রাদেশ পরিমিত পূৰ্ব্বমুখী রেখার পশ্চিম প্রান্ত হইতে স্পর্শ করিয়া পূৰ্ব্বপ্রাপ্ত পর্য্যন্ত রেখা টানিয়া বলিবে – ওঁ রেখেয়ং ইন্দ্ৰ দেবতাকা নীলবর্ণা। তৃতীয় পূৰ্ব্বমুখী প্রাদেশ পরিমিত রেখার পশ্চিমপ্রান্ত হইতে পূর্ব্বপ্রাপ্ত পর্যন্ত রেখা টানিয়া বলিবে—ওঁ রেখেয়ং সোমদেবতাকা শুক্লবর্ণা। এখন পাঁচটি রেখার গোড়া হইতে অর্থাৎ যেখান যেখান থেকে রেখা আরম্ভ হইয়াছিল সেই সেই পাচটি স্থান হইতে দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুষ্ঠ ও অনামিকার দ্বারা কিছু বালি লইয়া মন্ত্ৰ বলিবে— প্রজাপতিঋষিরগ্নিদেবতা উৎকর নিরসনে বিনিময়োগঃ। ওঁ নিরস্তঃ পরাবসুঃ। অরত্নি পরিমাণ দূরে (কনুই হইতে কনিষ্ঠার অগ্রভাগ পর্যন্ত অরত্নি) হাতের বালিকে ঈশান কোণে নিক্ষেপ করিবে।

এরপর প্রত্যেক বেদমন্ত্র তিনবার পাঠ করিয়া তিনবার পল্লবে করে ঘটের জল নিয়ে মস্তকে ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ বলিয়া ছিটিয়ে দিয়ে পূজো সমাপ্ত করবেন হাত জোড় করে। 

Advertisement
Advertisement
Recent Posts
Advertisement